বাংলাখবর
ভাইরাল জ্বরের প্রকোপ ও রক্ত পরীক্ষার গুরুত্ব
বাংলা খবর ডেস্ক : দেশের বর্তমান আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময়ে ভাইরাল জ্বরের প্রকোপ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সর্দি, কাশি, মাথাব্যথা এবং গায়ে ব্যথার মতো লক্ষণ নিয়ে রোগীরা প্রায়ই চিকিৎসকের দ্বারস্থ হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সাধারণ জ্বর ১০০-১০১ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মধ্যে থাকলেও রোগীর শরীরের অবস্থা বেশ দুর্বল।
সবচেয়ে আশঙ্কাজনক হলো, বর্তমানে ডেঙ্গু জ্বরের ক্ল্যাসিক্যাল উপসর্গ, যেমন– হাড়ভাঙা ব্যথা ছাড়াও অনেক ক্ষেত্রে ডেঙ্গু জ্বর সর্দি-কাশির মতো সাধারণ লক্ষণের আড়ালে আত্মপ্রকাশ করছে। তাই যে কোনো ধরনের জ্বরের লক্ষণ দেখা দিলে ঘরে বসে না থেকে হাসপাতালে গিয়ে ডেঙ্গুসহ প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত।
এবারের ভাইরাল জ্বরের ট্রেন্ডে রোগীদের মধ্যে তীব্র শুকনো বা কফযুক্ত কাশির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এত বেশি কাশি হয় যে অনেক রোগী বমি পর্যন্ত করে ফেলেন, যা নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সময় দুরূহ হয়ে পড়ে। ঘুমের মধ্যে কাশির মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় রোগীর স্বাভাবিক বিশ্রাম ব্যাহত হচ্ছে। ভাইরাল জ্বরের ক্ষেত্রে কাশি একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। তবে সংক্রমণের তীব্রতা থেকে বাঁচার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। আরেকটি লক্ষণীয় বিষয়, জ্বর সেরে যাওয়ার পরও শরীর সাংঘাতিক রকমের দুর্বল হয়ে পড়ছে। তিন দিনের জ্বর থেকেও রেশ বা ক্লান্তি দীর্ঘ সময় স্থায়ী হচ্ছে, যা রোগীর কর্মক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। এ জন্য আমরা জ্বরের সময় এবং জ্বর-পরবর্তী সময়ে পুষ্টিকর খাবার ও প্রচুর তরলজাতীয় খাবার গ্রহণের ওপর জোর দিয়ে থাকি।
শরবতের পাশাপাশি ফলের রস, ডাবের পানি ও গরম স্যুপ শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে, যা কাশির প্রকোপ কমাতে কার্যকর। অনেক সময় জ্বরের সঙ্গে বমি ভাব থাকে। সে ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বমি নিরোধক ওষুধ গ্রহণ করতে হবে। বমি ভাব কেটে গেলে স্বাভাবিক খাবারের দিকে নজর দিতে হবে, যাতে শরীর দ্রুত শক্তি ফিরে পায়। ভাইরাল জ্বর হলে ভয়ের কিছু নয়।
জ্বর যদি সাত দিনের বেশি স্থায়ী হয়, তবে অবশ্যই উচ্চতর পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে অন্য কোনো সংক্রমণের উপস্থিতি পরীক্ষা করতে হবে। যেহেতু বর্তমানে ডেঙ্গুর প্রকোপ প্রকট, তাই জ্বর হলেই অবহেলা না করে রক্ত পরীক্ষা করাটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ। রোগ নির্ণয় ও সঠিক পুষ্টির মাধ্যমে খুব দ্রুত এই ভাইরাল দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। সচেতনতাই পারে আমাদের এবং আমাদের পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে।
এই বিভাগের আরও খবর
ফ্যাটি লিভার কি সত্যিই ঠিক হয়, ২১ দিনের সহজ পরিকল্পনা দিলেন চিকিৎসক
ফ্যাটি লিভার কি সত্যিই ঠিক হয়, ২১ দিনের সহজ পরিকল্পনা দিলেন চিকিৎসক
ভাইরাল জ্বরের প্রকোপ ও রক্ত পরীক্ষার গুরুত্ব
ভাইরাল জ্বরের প্রকোপ ও রক্ত পরীক্ষার গুরুত্ব
অনুমোদন পেল বিশ্বে প্রথম এমআরএনএ ফ্লু টিকা
অনুমোদন পেল বিশ্বে প্রথম এমআরএনএ ফ্লু টিকা
সব ধরনের দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যেও মিললো মাইক্রোপ্লাস্টিক!
সব ধরনের দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্যেও মিললো মাইক্রোপ্লাস্টিক!
যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়েছে ‘মারাত্মক ডায়রিয়ার’ সৃষ্টিকারী পরজীবী
যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়েছে ‘মারাত্মক ডায়রিয়ার’ সৃষ্টিকারী পরজীবী
অগ্ন্যাশয় ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন ওষুধের অবিশ্বাস্য সাফল্য
অগ্ন্যাশয় ক্যানসার চিকিৎসায় নতুন ওষুধের অবিশ্বাস্য সাফল্য
ক্যানসারের টিউমার সম্পূর্ণ নির্মূলে আশার আলো
ক্যানসারের টিউমার সম্পূর্ণ নির্মূলে আশার আলো
স্তন ক্যান্সারের লাখো রোগী এড়াতে পারবেন কেমোথেরাপি, বলছে গবেষণা
স্তন ক্যান্সারের লাখো রোগী এড়াতে পারবেন কেমোথেরাপি, বলছে গবেষণা
বাড়ছে লাশের সারি, হাম ও উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু
বাড়ছে লাশের সারি, হাম ও উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে দেশে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু
২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৪৭
২৪ ঘণ্টায় হামে আরও ৩ মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৪৭
যুদ্ধের প্রভাব চিকিৎসায়, হিলিয়াম সংকটে এমআরআই নিয়ে শঙ্কা
যুদ্ধের প্রভাব চিকিৎসায়, হিলিয়াম সংকটে এমআরআই নিয়ে শঙ্কা
