বাংলাখবর
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ভয়াবহ ধস, একদিনেই উধাও লাখ লাখ কোটি ডলার
বাংলা খবর ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ভয়াবহ দরপতন হয়েছে। এতে করে এক দিনেই লাখ লাখ কোটি ডলারের বাজারমূল্য হারিয়েছে দেশটির বড় বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো। মূলত মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার খাতসহ নানা আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। আর এর প্রভাবে নাসডাকসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান শেয়ারবাজার সূচকগুলোতে বড় পতন হয়। সেই ধাক্কা ছড়িয়ে পড়েছে এশিয়ার শেয়ারবাজারেও।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির বিকাশে ধীরগতি আসতে পারে—এমন আশঙ্কায় যুক্তরাষ্ট্রের বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ারে ব্যাপক দরপতন হয়েছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র ও এশিয়ার প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বাজারমূল্য থেকে কয়েক শ বিলিয়ন ডলার উধাও হয়ে গেছে।
এআই প্রযুক্তির বিস্তার ধীর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচনী প্রচার চালিয়েছিলেন ডেমোক্র্যাটরা। আর তাই নির্বাচনে তাদের জয়ের পর প্রযুক্তি ও এআই খাতের বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারের দাম দ্রুত কমতে থাকে।
প্রযুক্তি খাতনির্ভর নাসডাক কম্পোজিট সূচক বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) লেনদেন শেষে ৫ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি কমেছে। ডাও জোন্সের তথ্য অনুযায়ী, এতে সূচকটির বাজারমূল্য থেকে আনুমানিক ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলার (২ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার) কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অন্য গুরুত্বপূর্ণ শেয়ারবাজার সূচকগুলোতেও বড় দরপতন হয়েছে। ২০২৫ সালের পর সবচেয়ে খারাপ দিন পার করেছে এসব সূচক।
মূলত এআই প্রযুক্তিতে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করে শেষ পর্যন্ত প্রত্যাশিত মুনাফা পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে আগে থেকেই উদ্বেগ ছিল। নতুন এই দরপতন সেই উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
এদিকে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকালে এশিয়ার প্রযুক্তিনির্ভর শেয়ারবাজার সূচকগুলোতেও বড় পতন দেখা গেছে। জাপানের নিক্কেই ২২৫ সূচক দিনের শুরুর দিকে ৬ শতাংশ কমে যায়। দেশটির মেমোরি চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কিওক্সিয়ার শেয়ারের দাম কমেছে ১২ দশমিক ৬ শতাংশের বেশি। প্রতিদ্বন্দ্বী টোকিও ইলেকট্রনের শেয়ার কমেছে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ।
কমলো মুদ্রার মান
দক্ষিণ কোরিয়ার চিপ নির্মাতা এসকে হাইনিক্সের শেয়ারের দাম কমেছে ১১ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি। অন্যদিকে স্যামসাংয়ের শেয়ার কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। সিউলের শেয়ারবাজারে এই দরপতনের ফলে কোস্পি সূচক ৮ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি কমে যায়। আতঙ্কে শেয়ার বিক্রির প্রবণতা ঠেকাতে সাময়িকভাবে লেনদেন বন্ধ রাখার ব্যবস্থা ‘সার্কিট ব্রেকার’ কার্যকর করতে হয়।
বিবিসি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা ডেটা সেন্টার ও এআই প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তার নিয়ন্ত্রণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচার চালিয়েছিলেন। দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ব্যালটে এমন অনেক প্রস্তাবও ছিল, যেগুলোর লক্ষ্য ছিল এআই প্রযুক্তি পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সেন্টার নির্মাণ সীমিত করা।
গত মঙ্গলবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষেই জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। এর ফলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদের বাকি সময় কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ থাকবে তাদের হাতে।
টেক্সাসের নব-নির্বাচিত ডেমোক্র্যাট গভর্নর জিনা হিনোজোসা ডেটা সেন্টারের বিরুদ্ধে জোরালো প্রচার চালিয়েছিলেন। এ খাতে নতুন স্থাপনা নির্মাণের ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন তিনি।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে শেয়ারবাজারের দরপতনের জন্য রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করেছেন ট্রাম্প। তিনি লিখেছেন, ‘নির্বাচনের ফলাফলের কারণে শেয়ারবাজার ইতিহাসের সবচেয়ে খারাপ দিনগুলোর একটি পার করেছে।’
ট্রাম্প আরও লেখেন, ‘মনে রাখবেন, এটা রিপাবলিকানরা করেনি, করেছে ডেমোক্র্যাটরা। তবে ভয় পাবেন না। যেভাবেই হোক, খুব শিগগিরই আমরা আগের চেয়ে আরও বড় ও শক্তিশালী হয়ে উঠব। আমেরিকাকে আবার মহান করুন!’
কিছু ডেমোক্র্যাট নেতার যুক্তি, নিরাপত্তা ও তদারকির ব্যবস্থা ছাড়াই এআই খাত অনেক বড় হয়ে উঠেছে। কংগ্রেসে নতুন ক্ষমতা পাওয়ার পর এ পরিস্থিতি বদলানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে ডেমোক্র্যাট সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, ‘বড় প্রযুক্তি কোম্পানির একচেটিয়া ক্ষমতাধর ব্যক্তিরা পরিবেশ ধ্বংস করবে, মানুষের চাকরি কেড়ে নেবে এবং মানবতার ভবিষ্যৎকে হুমকির মুখে ফেলবে—এটা মার্কিন নাগরিকেরা চান না। এখনই জাতীয় পর্যায়ে ডেটা সেন্টার নির্মাণে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হবে।’
এদিকে এআই ডেটা সেন্টারের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দামও বৃহস্পতিবার ব্যাপকভাবে কমেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ চিপ ও সেমিকন্ডাক্টর নির্মাতারাও রয়েছে। এতে বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এআই চিপ নির্মাতা এনভিডিয়ার শেয়ারের দাম ৯ শতাংশের বেশি কমেছে। এতে কোম্পানিটির বাজারমূল্য থেকে ৪০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি কমে গেছে।
অন্য চিপ নির্মাতারাও বড় ধাক্কা খেয়েছে। এএমডি ও মাইক্রনের শেয়ারের দাম ১৭ শতাংশের বেশি কমেছে। ইন্টেলের শেয়ার কমেছে ১০ দশমিক ৩ শতাংশ। মেমোরি কার্ড নির্মাতা স্যানডিস্কের শেয়ারের দাম কমেছে ২২ শতাংশের বেশি। সেমিকন্ডাক্টর উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত ৩০টি বৃহৎ কোম্পানির শেয়ারের দর পর্যবেক্ষণ করা ফিলাডেলফিয়া সেমিকন্ডাক্টর সূচকও ১২ শতাংশের বেশি কমেছে।
এছাড়া ইলন মাস্কের কোম্পানি স্পেসএক্স ও টেসলার শেয়ারেও বড় দরপতন হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্পেসএক্সের শেয়ার কমেছে ৮ শতাংশ এবং টেসলার প্রায় ১১ শতাংশ। এতে কোম্পানি দুটির সম্মিলিত বাজারমূল্য থেকে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি কমে গেছে।
রিপাবলিকান প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারে প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিলেন মাস্ক। এর মধ্যে টেক্সাসের সিনেট আসনে কেন প্যাক্সটনের পক্ষে অন্তত ৪৫ মিলিয়ন ডলার দিয়েছিলেন তিনি। তবে মঙ্গলবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের বড় জয়ের মধ্য দিয়ে টেক্সাসে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ পাল্টে যায়।
সব মিলিয়ে অ্যাপল, এনভিডিয়া ও টেসলাসহ ‘ম্যাগনিফিসেন্ট সেভেন’ নামে পরিচিত সাতটি বড় প্রযুক্তি কোম্পানির এক দিনের লেনদেনেই বাজারমূল্য থেকে এক ট্রিলিয়ন ডলার কমে গেছে।
শেয়ারবাজারের এই দরপতন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য বড় সূচকেও প্রভাব ফেলেছে। বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ৪ দশমিক ৪ শতাংশ কমেছে। বুধবারের অর্জিত সব মুনাফা হারিয়ে ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচকও ৩ দশমিক ৪ শতাংশের বেশি কমে লেনদেন শেষ করেছে।
বিবিসি বলছে, নাসডাক কম্পোজিট সূচকের পতন এতটাই বড় ছিল যে এটি এখন বাজার বিশ্লেষকদের ভাষায় ‘কারেকশন টেরিটরি’তে প্রবেশ করেছে। কোনো সূচক বা কোম্পানির শেয়ারমূল্য সাম্প্রতিক সর্বোচ্চ অবস্থান থেকে অন্তত ১০ শতাংশ কমে গেলে তাকে এ অবস্থায় রয়েছে বলে বিবেচনা করা হয়।
সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ওয়েলথ ক্লাবের প্রধান বিনিয়োগ কৌশলবিদ সুসান্না স্ট্রিটার বলেন, নাসডাক ও এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচকের বড় দরপতনের প্রভাব অন্য বাজারগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, ‘এআই খাতে বিনিয়োগ নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আর এটি ওয়াল স্ট্রিটকে বড় ধাক্কা দিয়েছে।’
স্ট্রিটার আরও বলেন, ‘এআই অবকাঠামো নির্মাণে বিপুল অর্থ বিনিয়োগের পরও প্রত্যাশিত মুনাফা পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। একই সঙ্গে ডেটা সেন্টার নির্মাণে বড় ধরনের ধীরগতির আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে।’
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেটা সেন্টারবিরোধী প্রতিক্রিয়া দেখে প্রযুক্তি খাতের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা বিস্মিত হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন। ওপেনএআইয়ের প্রেসিডেন্ট ও সহপ্রতিষ্ঠাতা গ্রেগ ব্রকম্যান বলেন, ডেটা সেন্টার নিয়ে মানুষের প্রতিক্রিয়ায় সবাই বিস্মিত হয়েছেন বলে তার ধারণা। এ ধরনের প্রকল্পে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সমর্থন নিশ্চিত করতে আরও কাজ করা প্রয়োজন।
গত বুধবার সন্ধ্যায় ক্যালিফোর্নিয়ার নাপায় ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রযুক্তিবিষয়ক সম্মেলনে ব্রকম্যান বলেন, ‘চলতি বছরে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। সান ফ্রান্সিসকো থেকে টেক্সাস, জর্জিয়া ও অন্যান্য জায়গায় অবকাঠামো নির্মাণের চেষ্টা করতে গিয়ে আমরা বুঝেছি, শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে বললেই হবে না যে, ‘এটি সবার জন্য ভালো হবে’। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে হবে।’
মেটার প্রেসিডেন্ট দিনা পাওয়েল ম্যাককরমিক বলেন, এআইকে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরতে প্রযুক্তি খাতের আরও বেশি প্রচার চালানো প্রয়োজন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের ওই সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয়, এআইয়ের পক্ষে আমাদের প্রচার আরও দ্বিগুণ ও তিন গুণ জোরালো করতে হবে।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের তাৎক্ষণিক প্রভাবের পাশাপাশি কিছু বিনিয়োগকারীর মধ্যে আরেকটি উদ্বেগও তৈরি হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, এআই খাতের শেয়ারের দাম হয়তো বুদ্বুদের মতো ফুলে উঠেছে, যা যেকোনো সময় বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে পারে।
এই বিভাগের আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ভয়াবহ ধস, একদিনেই উধাও লাখ লাখ কোটি ডলার
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে ভয়াবহ ধস, একদিনেই উধাও লাখ লাখ কোটি ডলার
ইরানকে ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
ইরানকে ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
যুক্তরাষ্ট্র নির্ভরতা কমানোর বাজেট ঘোষণা করছে কানাডা
যুক্তরাষ্ট্র নির্ভরতা কমানোর বাজেট ঘোষণা করছে কানাডা
বিক্ষোভের ঢেউয়ে টালমাটাল ফ্রান্স, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মরিয়া ম্যাখোঁ
বিক্ষোভের ঢেউয়ে টালমাটাল ফ্রান্স, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মরিয়া ম্যাখোঁ
আমাদের পরাজয়ের কারণ হলো যুদ্ধ, বললেন জেডি ভ্যান্স
আমাদের পরাজয়ের কারণ হলো যুদ্ধ, বললেন জেডি ভ্যান্স
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর কেইশা ল্যান্স
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর কেইশা ল্যান্স
বাংলাদেশে পোশাক শিল্পে অসন্তোষের দিকে নজর রাখছে ভারত: জয়সোয়াল
বাংলাদেশে পোশাক শিল্পে অসন্তোষের দিকে নজর রাখছে ভারত: জয়সোয়াল
ইউরোপজুড়ে সুপারমার্কেটের ফ্রিজ হ্যাক, ভয়াবহ খাদ্য সঙ্কটের শঙ্কা
ইউরোপজুড়ে সুপারমার্কেটের ফ্রিজ হ্যাক, ভয়াবহ খাদ্য সঙ্কটের শঙ্কা
ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, উপকূলীয় এলাকায় দফায় দফায় বিস্ফোরণ
ইরানে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, উপকূলীয় এলাকায় দফায় দফায় বিস্ফোরণ
বাইন্যান্স থেকে ৩৬০ কোটি ডলারের সম্পদ তুলে নিয়েছেন গ্রাহকরা
বাইন্যান্স থেকে ৩৬০ কোটি ডলারের সম্পদ তুলে নিয়েছেন গ্রাহকরা
ভারতের মণিপুরে ভয়াবহ সংঘাত, নিহত ৫
ভারতের মণিপুরে ভয়াবহ সংঘাত, নিহত ৫
এবার জেন জি বিক্ষোভে উত্তাল জার্মানি, সংঘর্ষ-লুটপাট
এবার জেন জি বিক্ষোভে উত্তাল জার্মানি, সংঘর্ষ-লুটপাট
